Sunday, May 7, 2017

নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ করেছেন। যা মূলত মহান আল্লাহ পাক উনারই নির্দেশ মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। কাজেই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা মানে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরই বিরুদ্ধে বলা; যা কাট্টা কুফরী।

No comments:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি) ওহী মুবারক ব্যতীত কোনো কথাও বলেন না এবং কোনো কাজও করেন না।”
নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ করেছেন। যা মূলত মহান আল্লাহ পাক উনারই নির্দেশ মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। কাজেই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা মানে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরই বিরুদ্ধে বলা; যা কাট্টা কুফরী।
অতএব, হক্কানী-রব্বানী আলিম-উলামাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সরকারসহ জনগণকে বাল্যবিবাহ সম্পর্কে ছহীহ ইলম ও সমঝ দেয়ার সাথে সাথে বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত এ বিষয়টি বেশি বেশি প্রচার-প্রসার করা। আর সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- বাল্যবিবাহ বিরোধী আইন তুলে নিয়ে বাল্যবিবাহ বিরোধী সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া।

- ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম


যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- পবিত্র বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, তিরমিযী শরীফ, আবূ দাউদ শরীফ, নাসাঈ শরীফ ও ইবনে মাজাহ শরীফসহ বহু পবিত্র হাদীছ শরীফ গ্রন্থেই ছহীহ বা নির্ভরযোগ্য সনদে বর্ণিত রয়েছে যে, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ মুবারক করেছেন। অর্থাৎ উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে ৬ বছর বয়স মুবারকে আক্বদ মুবারক করেছেন এবং ৯ বছর বয়স মুবারকে নিজ হুজরা শরীফে নিয়ে এসেছেন। যা মূলত মহান আল্লাহ পাক উনারই নির্দেশ মুবারক। সুবহানাল্লাহ! কাজেই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা মানে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বিরুদ্ধে বলা; যা কাট্টা কুফরী। মুসলমান হয়ে কেউ যদি কোনো কুফরী করে তাহলে সে পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে যায়। নাউযুবিল্লাহ!

মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘১৮ বছরের নিচে বিবাহ নিষিদ্ধ’- মূলত সরকারের এরূপ সিদ্ধান্ত এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানের দ্বীনী অনুভূতিতে চরমভাবে আঘাত হেনেছে। কেননা বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার আগে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে বলেছিলো- ‘পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোনো আইন পাস করা হবে না।’ এছাড়া সরকার বিভিন্ন সময়ে নিজেদের ‘ইসলামবান্ধব সরকার’, সম্মানিত ইসলাম উনার ধারক-বাহক সরকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে। 

মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। এখানে পবিত্র সুন্নত বন্ধ করে দেয়ার চেয়ে জঘন্য ইসলামবিরোধী কাজ আর কী হতে পারে? আর একটি পবিত্র সুন্নত মিটিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করলে মুসলিম জনগণ তা কখনো মেনে নিবে না। তাই সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- বাল্যবিবাহ বিরোধী আইন তুলে নিয়ে বাল্যবিবাহ বিরোধী সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া। নচেৎ সরকারকে ইহকাল ও পরকালে কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে।

মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হক্কানী-রব্বানী আলিম-উলামাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সরকারসহ জনগণকে বাল্যবিবাহ সম্পর্কে ছহীহ ইলম ও সমঝ দেয়ার সাথে সাথে বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত এ বিষয়টি বেশি বেশি প্রচার-প্রসার করা।
-০-

No comments:

Post a Comment

 
back to top