সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর,
ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
=================================
ঈদ মুবারক! ঈদ মুবারক! ঈদ মুবারক! মুসলিম উম্মাহর শ্রেষ্ঠতম ঈদ, সকল ঈদের সেরা ঈদ, সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর, ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মাস রবীউল আউয়াল শরীফ। এ মুবারক মাসের ১২ তারিখ মুবারক দিনটি উম্মাহর জন্য শ্রেষ্ঠতম ঈদ উদ্যাপনের দিন । কারণ, এ মুবারক দিনটি যদি আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শুভাগমনের অন্তর্ভুক্ত না হতো তাহলে শবে ক্বদর, শবে বরাত, ঈদুল ফিত্র্, ঈদুল আযহা, জুমুয়া ইত্যাদি ফযীলতপূর্ণ কোন দিন-রাতেরই আগমন ঘটতো না। শুধু তাই নয়, কুরআন শরীফ নাযিল হতো না, দ্বীন ইসলাম আসতো না এবং কোন মু’মিন-মুসলমানের অস্তিত্বও থাকতো না। ফলে, শরীয়ত এ মুবারক দিনটিকে নির্ধারণ করেছে ‘সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ’ হিসেবে এবং এ ঈদ পালন করাকে ফরয সাব্যস্ত করেছে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার কালাম পাকে ইরশাদ করেন, “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, আল্লাহ পাক ফযল-করম হিসেবে তাদেরকে যে দ্বীন ইসলাম দিয়েছেন, কুরআন শরীফ দিয়েছেন এবং রহমত হিসেবে উনার প্রিয়তম হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দিয়েছেন, সেজন্য তারা যেন খুশী প্রকাশ করে।” (সূরা ইউনুস-৫৮)
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন সূরা কাওছার-এ ইরশাদ করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) নিশ্চয়ই আমি আপনাকে কাওছার দান করেছি।” ‘কাওছার’-এর অনেক অর্থ রয়েছে তার মধ্যে একটি অর্থ হচ্ছে খইরে কাছির। অর্থাৎ হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আল্লাহ পাক সমস্ত ভাল উত্তম এবং শ্রেষ্ঠ বিষয় ও জিনিসগুলো হাদিয়া করেছেন। অর্থাৎ আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত ও সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয়ই সর্বশ্রেষ্ঠ।
তাই সমস্ত ইমাম-মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনাদের ইজমা হয়েছে যে, ‘রওজা শরীফ-এর যে মাটি মুবারক আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পা মুবারক স্পর্শ করে আছে, সে মাটি মুবারক-এর মর্যাদা লক্ষ-কোটি আরশে আযীম-এর চেয়েও বেশি।’(সুবহানাল্লাহ) আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে তায়াল্লুক-নিছবত থাকার কারণে মাটি মুবারক-এর যদি এত মর্যাদা-মর্তবা হয়ে থাকে তাহলে আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে তারিখে, যে দিবসে, যে মাসে যমীনে এসেছেন অর্থাৎ ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ-এর কতটুকু মর্যাদা-মর্তবা রয়েছে সেটা খুব সহজেই অনুধাবনীয়। সেদিন সমস্ত ঈদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ ঈদ। সমস্ত দিনের চেয়ে বেশি সম্মানিত, ফযীলতপ্রাপ্ত দিন ও তারিখ।
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন সূরা কাওছার-এ ইরশাদ করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) নিশ্চয়ই আমি আপনাকে কাওছার দান করেছি।” ‘কাওছার’-এর অনেক অর্থ রয়েছে তার মধ্যে একটি অর্থ হচ্ছে খইরে কাছির। অর্থাৎ হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আল্লাহ পাক সমস্ত ভাল উত্তম এবং শ্রেষ্ঠ বিষয় ও জিনিসগুলো হাদিয়া করেছেন। অর্থাৎ আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত ও সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয়ই সর্বশ্রেষ্ঠ।
তাই সমস্ত ইমাম-মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনাদের ইজমা হয়েছে যে, ‘রওজা শরীফ-এর যে মাটি মুবারক আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পা মুবারক স্পর্শ করে আছে, সে মাটি মুবারক-এর মর্যাদা লক্ষ-কোটি আরশে আযীম-এর চেয়েও বেশি।’(সুবহানাল্লাহ) আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে তায়াল্লুক-নিছবত থাকার কারণে মাটি মুবারক-এর যদি এত মর্যাদা-মর্তবা হয়ে থাকে তাহলে আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাস্সাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে তারিখে, যে দিবসে, যে মাসে যমীনে এসেছেন অর্থাৎ ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ-এর কতটুকু মর্যাদা-মর্তবা রয়েছে সেটা খুব সহজেই অনুধাবনীয়। সেদিন সমস্ত ঈদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ ঈদ। সমস্ত দিনের চেয়ে বেশি সম্মানিত, ফযীলতপ্রাপ্ত দিন ও তারিখ।
======================================================
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ১৪৩৩ উপলক্ষে প্রকাশিত
http://al-ihsan.net/specialdays/SaiyeedulAiyadShareef/
====================================================================
|




