Wednesday, April 5, 2017

রবীন্দ্রঠগের ” এসো হে বৈশাখ এসো এসো” বিশাখানামক দেবী অর্চনা

No comments:

রবীন্দ্রঠগের ” এসো হে বৈশাখ এসো এসো” বিশাখানামক দেবী অর্চনা

======================================================================
বৈশাখ মাসের নামকরণ করা হয়েছে আকাশের তারকা বিশাখা এর নামকরণের সাথে মিল রেখে। আর বিশাখা তারকা মুশরিকদের পূজার দেবতা। বৈশাখ মাসের প্রথম দিন পৃথিবীর সকল হিন্দু ধর্মানুরাগীরা বিশাখা দেবতার উদ্দেশ্য পূজা দিয়ে থাকে। সুতরাং এটা হিন্দুদের পূজার একটি দিন।
উইকি মতে “বৈশাখ” শব্দটি এসেছে বিশাখা নামক নক্ষত্রের নাম থেকে। এই মাসে বিশাখানক্ষত্রটিকে সূর্যের কাছে দেখা যায়।(https://goo.gl/Yhcf21, Another New Year,Another Resolution”। daily-sun.com, সংগৃহীত ১ জুন ২০১৪।)
এদিকে বাংলা অভিধান বলছে, বিশাখা :
১. রাধিকার একজন সখী
২. সাতাশ নক্ষত্রের একটি https://goo.gl/hfdD44 ।
https://goo.gl/pjlUxa, https://goo.gl/0KKojQ , https://goo.gl/yXwqga
সুতরাং রবীন্দ্রনাথ যখন এসো হে বৈশাখ বলে ডাকে, সে কিন্তু নিজ ধর্মীয়বিশ্বাস থেকেই তার দেবতাকে ডাকে,অন্য কাউকে নয় । এ গানের পরবর্তী লাইনগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়লেই নিশ্চিত হতে পারবে যে এটি স্রেফ একটি প্রার্থনা। দুঃখ-বেদনা, দুঃসংবাদ,দুর্ভাগ্যসহ যাবতীয় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি যাতে দূর হয়ে শুভক্ষণ যেন আসে সে প্রার্থনাই করা হয়েছে দেবতার কাছে।
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো
তাপস নিঃশ্বাস বায়ে
মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক যাক
এসো এসো…
যাক পুরাতন স্মৃতি
যাক ভুলে যাওয়া গীতি
যাক অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক
যাক যাক
এসো এসো…
মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা
অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা
রসের আবেশ রাশি
শুষ্ক করি দাও আসি
আনো আনো, আনো তব প্রলয়ের শাঁখ
মায়ার কুঁজঝটি জাল যাক, দূরে যাক যাক যাক
এসো এসো…
দেবতার কাছে রবীন্দ্রের এ আর্তি যখন একজন মুসলিম পাঠ করে তখন সেটি শিরক বলে গণ্য হওয়ার বিকল্প থাকে না।
এ ধরনের প্রার্থনা কেউ যদি আল্লাহ ছাড়া অন্যকারো কাছে করেন সেটিকে কুরআন-হাদিসে অসংখ্য জায়গায় সরাসরি শিরক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
’”কাজেই তোমরা আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে ডেকো না”।’ (সূরা জিন :৭২/১০)
“‘আর আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ডাকো না, যা তোমার উপকার করতে পারেনা আর ক্ষতিও করতে পারে না, অতঃপর যদি তুমি এমন কাজ কর তাহলে তুমি যালেমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে”। (সূরা ইউনুস : ১০/১০৬)
আফসোস মুসলমান আজ গানে গানে হিন্দুদের দেবতাকে ঢেকে থাকে! । আল্লাহর বানী অনুসারে চন্দ্র মাসকে আমাদের জন্য দিন গণনার ঘোষণা দেয়া সত্ত্বেও যারা চন্দ্র মাসের খবরই জানে না, অথচ পহেলা বৈশাখের বিশাখা নামক দেবতার তুষ্টির জন্য জন্য কাঁচা মরিচ, পিয়াজ, পান্তাভাত আর ইলিশ মাছ ভক্ষণ করে, তাদের খবর হবে কবর থেকেই।তখন কবরে গুর্জু খাওয়া থেকে বিশাখা দেবতা রক্ষা করতে আসবেনা।

No comments:

Post a Comment

 
back to top